আজকের শিরোনাম :

একই দিনে ২১ নিয়োগ পরীক্ষা!

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৮:৩৬

রাজধানীতে আজ (১৭ সেপ্টেম্বর) সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ২১টি নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। একই সময়ে একাধিক পরীক্ষার আয়োজন করায় ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন অনেক পরীক্ষার্থী। এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অভিভাবকরা।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, করোনাভাইরাসের কারণে স্থগিত হওয়া নিয়োগ পরীক্ষাসহ বেশ কয়েকটি ব্যাংকের প্রবেশনারি পরীক্ষার আয়োজন করা হয়েছে আজ। পরীক্ষাগুলো ঢাকার বিভিন্ন কেন্দ্রে দুই শিফটে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

শেরেবাংলা নগর এলাকার দুটি পরীক্ষার কেন্দ্র ঘুরে দেখা যায়, শেরে বাংলা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে সকাল সাড়ে ১০টা থেকে অনুষ্ঠিত হচ্ছে এনএসআই ওয়াচার কনস্টেবল পদের পরীক্ষা। পাশেই শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে হচ্ছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতরের বিভিন্ন পদের পরীক্ষা। মোট ৪১টি কেন্দ্রে একযোগে সকাল ১০টা থেকে এই পরীক্ষা শুরু হয়েছে।

বিকালে পরীক্ষা হয়েছে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, পল্লী বিদ্যুতসহ আরো কয়েকটি অধিদফতরে। এছাড়া ইসলামি ব্যাংক, যমুনা ব্যাংক ও ইউসিবি ব্যাংকে।
 
আরিফ রায়হান নামে এক শিক্ষার্থী বলেন, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের পরীক্ষায় অংশ না নিয়ে ওয়াচার কনস্টেবল পরীক্ষা দিতে এসেছি। ভিন্ন ভিন্ন সময়ে পরীক্ষাগুলোর আয়োজন করা হলে সবগুলোতে অংশ নেওয়া যেত বলে অভিযোগ করেন তিনি।

মো. হাবিবুর রহমান বলেন, সকাল ১১টায় মেয়ের ইউসিবি ব্যাংকে অনলাইনে পরীক্ষা ছিল। সেটা বাদ দিয়ে মেয়েকে নিয়ে এখানে এসেছি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের কম্পিউটার অপারেটর নিয়োগের পরীক্ষার জন্য।

মো. তুহিন নামে এক পরীক্ষার্থী বলেন, আজ আমার তিনটি পরীক্ষার সুযোগ মিলেছে। একটি সকাল ৯টা থেকে ১০টার মধ্যে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের সাব অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার পদে নিয়োগের পরীক্ষা। এক ঘণ্টা পরই আবার সাধারণ বিমা করপোরেশনের পরীক্ষা। বিকেলে আরও একটি পরীক্ষা থাকলেও সাড়ে তিনটায় আয়োজন করা যমুনা ব্যাংক লিমিটেডের ম্যানেজমেন্ট ট্রেইনি পদে পরীক্ষায় অংশ নিতে পারছেন না তিনি।

এই পরীক্ষার্থী বলেন, লাখ লাখ পরীক্ষার্থী চাকরির প্রত্যাশায় আবেদন করেছে। কিন্তু সমন্বয়হীনতার কারণে সবগুলো পরীক্ষায় অংশ নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। এটা খুবই অন্যায়। টাকা খরচ করে আবেদন করেছি, টাকা খরচ করে ঢাকার বাইরে থেকে পরীক্ষা দিতে এসেছি। কিন্তু সবগুলো পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারাটা হতাশার।

এবিএন/মমিন/জসিম

এই বিভাগের আরো সংবাদ
ksrm