কলকাতায় বাংলাদেশ বইমেলার তৃতীয় দিনে উপচেপড়া ভিড়

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ০৪ নভেম্বর ২০১৯, ১৩:০২

বাংলাদেশ বইমেলার তৃতীয় দিনে রবিবার দর্শনার্থীদের সমাগম ছিল চোখে পড়ার মতো। উপচেপড়া ভিড়, দর্শনার্থীদের দীর্ঘ লাইন মিলে পরিণত হয় প্রকাশক, লেখক আর পাঠকের মিলনমেলায়।

মেলার প্রবেশ মুখেই কথা হয় কবি মারুফুল ইসলামের সঙ্গে। তিনি বলেন, পাঠকরা বই কিনলে লেখকরা যেমন লাভবান হবেন প্রকাশকরাও ভরসা নিয়ে এগিয়ে আসবেন নতুন নতুন বই প্রকাশে।

চন্দ্রাবতী প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ. কে আব্দুল মোমেনের লেখা ‘বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ’ বইটি মোড়ক উন্মোচনের পর পাঠকদের মধ্যে বেশ আগ্রহ দেখা দিয়েছে বলে জানান তিনি।

বইটির প্রকাশক কামরুজ্জামান কামাল বলেন, বঙ্গবন্ধুর উপরে লেখা এই বইটি খুবই জ্ঞানগর্ভে সমৃদ্ধ, যা পাঠকের কাছে ইতোমধ্যেই জনপ্রিয় হয়েছে।

বঙ্গবন্ধুর এই বইটি ছাড়াও চন্দ্রবতী প্রকাশনী থেকে আরো তিনটি বইএর মোড়ক উন্মোচন করা হয়েছে। বইগুলো হলো খান মাহবুবের লেখা ‘সীমান্তের ওপারে’, মারুফুল ইসলামের ‘সাইজি:পুনচ্চ’ ও অধ্যাপক নাসির উদ্দীন মালিথার লেখা ‘সাহিত্যের নানা কথা’।

মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিম বাংলার বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ আধ্যাপক পবিত্র সরকার। তিনি চন্দ্রাবতী প্রকাশনার প্রশংসা করে বলেন ‘বইগুলোর প্রকাশনার মান অত্যন্ত উন্নত।

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সুজন জানায় দাস বলেন, পশ্চিম বাংলার বাঙালীদের ওপর বাংলাদেশের বইমেলার প্রভাব পড়েছে।

মেলা মঞ্চে অন্যান্য আয়োজন ছাড়াও আজ ‘বাংলা প্রকাশনার নতুন কেন্দ্র ঢাকা’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ট্রাস্টি মফিদুল ইসলাম।

কলিকাতার মোহরকুঞ্জে গত ১ নভেম্বর থেকে শুরু হয়ে ১০ দিনব্যাপী বাংলাদেশ বইমেলা। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন এদিন আনুষ্ঠানিকভাবে এ মেলার উদ্বোধন করেন।

বাংলাদেশ রফতানি ব্যুরো এবং বাংলাদেশ জ্ঞান ও সৃজনশীল প্রকাশক সমিতির সহায়তায় ডেপুটি হাইকমিশন কলকাতা এ মেলার আয়োজন করে। আগামী ১০ নভেম্বর পর্যন্ত এ মেলা চলবে।
খবর বাসস

এবিএন/সাদিক/জসিম

এই বিভাগের আরো সংবাদ