ডিমলায় সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জমিতে থাকা গাছ কর্তন

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৫:৪০

ডিমলা উপজেলার নাউতরা ইউনিয়নের রাসহাটি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২টি আম গাছ কর্তন করেছেন উত্তর আকাশকুড়ী গ্রামে মৃত অখি মামুদ এর পুত্র তহিদুল ইসলাম। এ বিষয়ে এলাকাবাসীর সূত্রে জানা যায় যে, দীর্ঘদিন যাবত মৃত অখি মামুদের তিন পুত্র তহিদুল ইসলাম, অলিয়ার রহমান ও মোজাম্মেল হক উক্ত সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এক কর্ণারে অবৈধ ভাবে ১৩ শতক জমি জোর পূর্বক দখল করে বসত বাড়ী করিয়াছে।

আজ ২৬ সেপ্টেম্বর সকালে তহিদুল ইসলাম বিদ্যালয়ের কর্ণারে থাকা বাড়ীর ভিতরে দুইটি আম গাছ প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটি ও প্রধান শিক্ষককে না জানিয়ে বিক্রয় করে দিলে গাছ ব্যবসায়ীরা গাছ দুইটি কেটে ফেলে। এ বিষয়ে উক্ত প্রতিষ্ঠানের প্রধাণ শিক্ষক ওবায়দুর রহমান সংবাদ কর্মীকে জানান স্কুলটি স্থাপিত হয় ১৯৩৫ সালে হলেও খগা খড়িবাড়ী ইউনিয়নের মৃত ওসমাণ গণির পুত্র মাহাবুবার রহমান ১৯৪২ সালে ৪৭ শতক জমি রাসহাটি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নামে দানপত্র করিয়া দেয় এবং মাহাবুবার রহমান এর ভাগিনা আলী হোসেন ১৯৮০ সালে ৭০ শতক জমি দানপত্র করিয়া দেন।

কিন্তু এ বিষয়ে মৃত অখি মামুদের ছেলে তহিদুল ইসলাম বলেন আমরা ১৯৮২ সালে মাহাবুবার রহমান এর ছেলে দুলাল হোসেন এর নিকট হইতে ৮০ শতক জমি সাব-রেজিষ্ট্রেরী করিয়া বসবাস করিয়া আসিতেছি। উক্ত ৮০ শতক জমি আমাদের নামে বর্তমান রেকর্ড রহিয়াছে। প্রতিষ্ঠানের জমির বিষয়ে প্রধান শিক্ষক ২৪ নভেম্বর ২০১৪ সালে ও ২১শে এপ্রিল ২০১৯ সালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর বিদ্যালয়ে জমি অবৈধ দখল হতে উদ্ধারে অভিযোগ করিলে আজ পর্যন্ত উপজেলা প্রশাসন ও প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার তেমন কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করেননি।

 গাছ কাটার বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার স্বপন কুমার দাস এর সাথে মুঠো ফোনে কথা বললে তিনি বলে বিষয়টি দীর্ঘদিনের সমস্যা চলছে। গাছ কাটার বিষয়ে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে জানান।
    

এবিএন/বাদশা সেকেন্দার ভুট্টু/জসিম/তোহা

এই বিভাগের আরো সংবাদ
ksrm