বঙ্গোপসাগরে ফিশিং ট্রলার ডুবিতে ভেসে যাওয়া ২০ জেলে উদ্ধার

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১:১৯

ঝড়ের কবলে পড়ে বঙ্গোপসাগরের অফিস কিল্লা ও নারকেলবাড়িয়া এলাকায় দুইটি ফিশিং ট্রলার ডুবে গেছে। সাগরে ভেসে গিয়ে রুহুল আমীন খান নামের এক ট্রলার মালিকের মৃত্যু হয়েছে। জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে  ভেসে যাওয়া ট্রলারের ১৯ জেলেকে। নিখোজ রয়েছে ডুবে যাওয়া ট্রলার দুটি।  মঙ্গলবার  ভোরে এ ট্রলার ডুবির ঘটনা ঘটে।

এদিকে, প্রবল ঢেউয়ে সাগরে টিকতে না পেরে দুই সহাস্রাধিক ফিশিং ট্রলার সুন্দরবনের দুবলা সহ উপকূলের বিভিন্ন স্থানে আশ্রয় নিয়েছে।

পূর্ব সুন্দরবনের জেলেপল্লী দুবলা ফরেষ্ট টহল ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা প্রলাদ চন্দ্র রায়  জানান, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় মঙ্গলবার ভোরের দিকে দুবলার অফিসকিল্লা ও নারিকেলবাড়ীয়া এলাকার সাগরে দুইটি  ফিসিংবোট ডুবে গেছে। এর মধ্যে অফিসকেল্লা এলাকায়  ডুবে যাওয়া বোট মালিক রুহুল খা (৫০) সাগরে ডুবে মারা গেছে। নিহত  রুহুল খান বরগুনার পাথরঘাটার দক্ষিণ চরদুয়ানী গ্রামের এছাহাক খানের পুত্র। অপর বোটের মালিক দক্ষিণ চরদুয়ানী গ্রামের জসিম জোমাদ্দার। উদ্ধারকৃত  ১৯ জেলেকে অন্য ফিশিংবোটের জেলেরা উদ্ধার করে নিয়ে গেছে।

প্রবল ঢেউয়ে সাগরে মাছ ধরতে না পেরে অনেক ফিশিংবোট দুবলার মেহেরআলী, ভাঙ্গাখাল, ভেদাখালী, নারিকেলবাড়ীয়াসহ সুন্দরবনের বিভিন্ন স্থানে নিরাপদ আশ্রয় নিয়েছে বলে দুবলা টহল ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত  কর্মকর্তা জানান।
 
বাংলাদেশ ফিশিং ট্রলার মালিক সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি এম সাইফুল ইসলাম খোকন বলেন, শরণখোলা অঞ্চলের তিন শতাধিক ফিশিংবোট সুন্দরবনের দুবলা, হিরণপয়েন্ট, কচিখালী, পক্ষিদিয়ারচরসহ উপকূলের বিভিন্ন স্থানে আশ্রয় নিয়েছে। তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, এবছর  জেলে মৎস্যজীবিরা চরম আর্থিক ক্ষতিতে পড়েছেন। ৬৫ দিনের অবরোধের পরে জেলেরা তিনদফা সাগরে গিয়ে দুর্যোগের কবলে পড়ে শূন্য ট্রলার নিয়ে ফিরেছেন।

৪ অক্টোবর থেকে ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা সামনে রেখে সাগরে মাছ শিকারে গিয়ে জেলেরা আবার দুর্যোগের কবলে পড়েছেন এ যেন মড়ার উপর খাড়ার ঘা বলে তিনি মন্তব্য করেন।

এবিএন/নজরুল ইসলাম/গালিব/জসিম

এই বিভাগের আরো সংবাদ
ksrm