পাঁচবিবিতে ইউপি চেয়াম্যান বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক অপ-প্রচারের অভিযোগ

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ২২ আগস্ট ২০১৯, ১৪:৪২

জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার ৮নং আওলাই ইউনিয়ন পরিষদের জনপ্রিয় চেয়াম্যান আ. রাজ্জাকের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক অপ-প্রচারের অভিযোগ পাওয়া গেছে। 

চেয়ারম্যান আ. রাজ্জাক মন্ডল গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ছাতিনালী বাজারে নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের নিকট অভিযোগ করে বলেন একটি মহল তার জনপ্রিয়তায় ঈর্ষানীত হয়ে চেয়াম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই বিভিন্ন প্রকার ষড়যন্ত্র করে আসছে। অবশ্য প্রত্যেকটি ষড়যন্ত্রেই সর্বশেষ তারা পরাজিত হয়েছে। তাদের ব্যর্থ ষড়যন্ত্রের ধারাবাহিকতায় গত কয়েক দিন ধরে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার কামদিয়া বাজারের সনি চৌধুরীর স্ত্রী ফারিয়া আখতার চুমকীকে দিয়ে পরিকল্পিত একটি ষড়যন্ত্র করে এবং “চেয়াম্যানকে বিয়ে করতে অনশনে এক সন্তানের জননী” শীর্ষক শিরোনামে বিভিন্ন প্রচার মিডিয়ায় ও স্থানীয় বাজারে অপ-প্রচার চালায়। তারা অপ-প্রচার চালিয়ে বলে চেয়ারম্যান চুমকীর সাথে প্রেম করে বিয়ে করার আশ্বাস দিয়ে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তুলেছে। 

প্রকৃত ঘটনা হচ্ছে কিছুদিন পূর্বে ইউনিয়নের ছাতিনালী গ্রামের বাসিন্দা চানপাড়া বাজারের ব্যবসায়ী সাইদুল ইসলাম এর সাথে চুমকীর অশ্লীল প্রেম আলাপের রেকর্ডের মেমোরি কার্ড উদ্ধারের জন্য, চুমকী চেয়াম্যান হিসাবে আমার দারস্ত হয়। আমি স্থানীয় যুবলীগ নেতা সাইফুলের সহায়তায়  ম্যামোরি কার্ডটি উদ্ধার করে দেয়। 

এ সময় চুমকী কোন ভাবে জানতে পারে যে ইউপি চেয়াম্যানের স্ত্রী অসুস্থ, তার বিবাহের প্রয়োজন আছে। এরপর থেকে এ চুমকী আমাকে তার পরিবারের মাধ্যমে জয়পুরহাট রুচিতা হোটেল এবং তার বোন জামাইয়ের বাড়ি ও পাঁচবিবি বাজারে আমার সঙ্গে সাক্ষাতে কথা বলে। সাক্ষাতের সময় আমি তাকে জানায় তার বিষয়ে খোজ খবর নিয়ে আমার সিদ্ধান্ত পরে জানাবো। পরবর্তীতে বার বার মোবাইল ফোনে আমাকে রিং দিয়ে কথা বলার চেষ্টা করে। কাজের ব্যস্ততার জন্য একটু দেরি হলেও গত ঈদের পূর্বেই আমি খোঁজ নিয়ে জানতে পারি যে সে যা বলেছিল তার বাবার বাড়ি ধামুইরহাট, স্বামীর বাড়ি ধলাহার তা ছিল ভুল ঠিকানা। চুমকীর বর্তমান স্বামী কামদিয়ার সনি চৌধুরী। এই স্বামী থাকা অবস্থাতেই চুমকী অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে দিনাজপুর জেলার বিরামপুর উপজেলার তিন জায়গায় ও ফুলবারিতে দুলাল নামে একজনকে বিয়ে করেছিল। দুলালের সঙ্গে এখনো দেন মহোরের মামলা চলছে। 

এ অবস্থায় ঈদের পর আমি তাকে সাফ জানিয়ে দেই আমার পক্ষে বিয়ে করা সম্ভব নয় এবং পরিবারের কেউ এ বিয়ে মেনে নিবে না। তারপর থেকেই চুমকী ইউনিয়নে আমার প্রতিপক্ষদের সাথে যোগ সাজোশীভাবে নানা প্রকার ষড়যন্ত্র ও অপ-প্রচার চালাতে শুরু করে। বিষয়টি আমি স্থানীয় প্রসাশনকে অবগত করলে প্রসাশন আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস প্রদান করেন। একই সঙ্গে ইউনিয়নের সচেতন মহল তাদের বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠতেছে বুঝতে পেরে চুমকী ও তার সহযোগীরা পালিয়ে যায়। এই ঘটনা তিলকে তাল বানিয়ে আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন প্রচার মিডিয়ায় যে অপ প্রচার চালানো হয় সেটি ধারাবাহিক ষড়যন্ত্রে অংশ। ষড়যন্ত্র ছেড়ে দিয়ে আওলাই ইউনিয়নকে মডেল হিসেবে গড়ার কাজে সকলকে সহযোগীতার করার আহবান করছি। 

এ বিষয়ে চুমকীর সাথে কথার বলার জন্য বার বার ফোন করলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

এবিএন/সজল কুমার দাস/গালিব/জসিম

   
  

এই বিভাগের আরো সংবাদ