কচুয়ায় এবার পূজা অনুষ্ঠিত হবে ৪২ মন্দিরে

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১১:৪৫

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় অনুষ্ঠান শারদীয় দুর্গোৎসবের আমেজ কচুয়ায় বইতে শুরু করেছে।

উপজেলার ৭টি ইউনিয়নে ৪২টি মন্দিরে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। আগামী ২৮ সেপ্টম্বর মহালয়ার মধ্যে শারদীয়া দুর্গোৎসব শুরু হবে। তাই পূজার কেনাকাটায় ব্যস্ত সময় কাটছে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। 

নির্দ্দিষ্ট সময়ের মধ্যে মন্দিরের প্রতিমাকে আকর্ষণীয় করার জন্য ভাস্করেরা আপন মহিমা দিয়ে সৌন্দর্য বর্ধনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। প্রতি বছরের ন্যয় এ বছর ও সনাতন ধর্মাবলম্বীরা পূজা অনুষ্ঠানের জন্য ব্যপক প্রস্তুতি নিয়েছে। মসনী সার্বজনীন দুর্গা মন্দিরে এ বছর ৫১টি অতিরিক্ত প্রতিমা নির্মিত হচ্ছে।

এ বছর উপজেলার কচুয়া সদর ইউনিয়নে ৫টি, গোপালপুরে ৪টি, মঘিয়ায় ৮টি, বাধালে ৫টি, রাড়ীপাড়ায় ১১টি, গজালিয়ায় ৭টি ও ধোপাখালীর ২টি মন্ডপে পূজা উদযাপনের ব্যপক প্রস্তুতি চলছে। 

এরমধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ৭/৮টি পূজা মন্দির রয়েছে। মসনী সর্বজনীন পূজা উদ্যাপন কমিটির সভাপতি কালীপদ মুন্সী জানান আমাদের এলাকা থেকে দর্শনার্থীরা পূজা অনুষ্ঠান দেখার জন্য শহর এলাকায় ছুটে যায়। এখানে দর্শনার্থী কম হয় তাই আমরা আমাদের পূজা অনুষ্ঠানকে সুন্দর ও জাকযমকপূর্ণ করার লক্ষে দুর্গা প্রতিমাসহ বিভিন্ন দেব-দেবতার ৫১টি প্রতিমা তৈরী করা হচ্ছে। 

উপজেলার সর্বশ্রেষ্ঠ পূজা বাধাল ইউনিয়নের মসনী সর্বজনীন দুর্গামন্দিরে শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হবে বলে আমরা আশাকরি। প্রতি বছরের ন্যায় এবারও উপজেলা বাধাল বাজার সার্বজনীন দুর্গা মন্দির, কচুয়া সদর দুর্গা মন্দির, রঘুদত্তকাঠী ভক্ত নিমাই সেবা আশ্রম, ভান্ডারকোলা সর্বজনীন দুর্গা মন্দির, সাইনবোর্ড বাজার সার্বজনীন দুর্গা মন্দিরে বৃহৎ আকারে পূজা অনুষ্ঠিত হবে। এসব পূজা মন্দিরে কয়েক হাজার দর্শনার্থীদের আগমন হয়ে থাকে।

কচুয়া থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ সফিকুর রহমান জানান উপজেলার প্রতিটি মন্দিরে আগত পূজারী ও ভক্তদের আসা-যাওয়া এবং শান্তিপূর্ণভাবে পূজা অনুষ্ঠান সম্পন্ন করার জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যাপক প্রস্তুতি থাকবে।
    
এবিএন/শুভংকর দাস বাচ্চু/গালিব/জসিম 

এই বিভাগের আরো সংবাদ