শরণখোলায় ব্রিজ ভেঙ্গে যাওয়ায় শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১৪:৪৯

২০০৭ সালের ১৫ নভেম্বর সিডরাঘাতে  লন্ড- ভন্ড হয়ে গিয়েছিলো সেতুটি। কয়েক মাস পর এটিকে মানুষ চলাচলের জন্য কোন রকম উপযোগী করে তোলা হয়। এক দুই বছর মোটামুটি চলাফেরা করা যায় তারপর কাঠের তক্তাগুলো পচে গলে খালে পড়ে যায়। আবারও সেই দুর্ভোগ শুরু হয় মানুষের। সেতুটি অত্যন্ত জনগুরত্বপূর্ণ। অথচ এটি সংস্কার বা মেরামতের জন্য কারো মাথা ব্যথা নাই। শরণখোলা উপজেলার খুড়িয়াখালী-চালিতাবুনিয়া গ্রামের সংযোগ খাল এটি। 

চালিতাবুনিয়া গ্রামের বাসিন্দা ও স্থানীয় সুন্দরবন ইসলামীয়া দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষক হারুন অর রশীদ জানান চালিতাবুনিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়, সুন্দরবন মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং সুন্দরবন দাখিল মাদ্রাসার প্রায় দেড় শতাধিক শিক্ষার্থী প্রতিদিন এই সেতুটির উপড় দিয়া আসা-যাওয়া করে। সেতুটি ভেঙ্গে যাওয়ায় ছোট ছোট শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ে যেতে পারছেনা।  

সেতু সংলগ্ন খুড়িয়াখালী গ্রামের বাসিন্দা মো. শাহজাহান হাওলাদার জানান সেতুটি ভেঙ্গে যাওয়ায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশুরা বেশি সংকটে পড়েছে। তারা স্কুলে রওয়ানা হয়ে এসে ভাঙ্গা ব্রিজের উপর দাড়িয়ে থাকে কারো সহযোগিতা না পেলে আবার বাড়ি ফিরে যেতে বাধ্য হয়। 

সুন্দরবন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রী সুমাইয়া আক্তার বলেন প্রতিদিন দুই বার এ ব্রিজটি পার হয়ে আমাদের বিদ্যালয়ে যেতে হয়। কিন্তু দুঃখের বিষয় কয়েক মাস ধরে এটি ভাঙ্গা অবস্থায় রয়েছে। বইপত্র নিয়ে এ ব্রিজের উপড় উঠলে ভয়ে আমাদের শরীর কেপে ওঠে। কয়েকদিন আগে ব্রিজের ভাঙ্গা অংশ থেকে পরে গিয়ে দুজন পথচারী আহত হয়। অথচ এ বিষয় কোন মাথা ব্যথা নেই চেয়ারম্যান মেম্বরদের। 

খুড়িয়াখালী গ্রামের ইউপি সদস্য মো. বাচ্চু মুন্সি জানান  নিঃসন্দেহে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্রীজ। দুই গ্রামের কয়েকশত মানুষ এ ব্রিজ দিয়ে প্রতিদিন চলাচল করে। এটির ব্যাপারে কোন বরাদ্ধের কথা শোনা যায়না।  ব্যক্তিগতভাবে এ ব্রিজ মেরামত করার সামর্থ্য আমার নাই। সাউথখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এ ব্যাপারে ভাল বলতে পারবেন। 

সংশ্লিষ্ট সাউথখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. মোজাম্মেল হোসেন জানান ব্রিজ ভেঙ্গে গেলে আমি কি করবো ?  তবুও চেষ্টা করে দেখি কি করা যায়। 

জানতে চাইলে শরণখোলা উপজেলা নির্বাহী অফিসার সরদার মোস্তফা শাহিন বলেন বিষয়টি নিয়ে সাউথখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের সাথে কথা বলে দেখি ওটা কি অবস্থায় রয়েছে। জেনে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। 

এবিএন/নজরুল ইসলাম আকন/গালিব/জসিম
 

এই বিভাগের আরো সংবাদ