আতঙ্কে আশ্রয়কেন্দ্রে উপকূলবাসী, মোংলা বন্দরের কার্যক্রম বন্ধ

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ০৯ নভেম্বর ২০১৯, ০০:১৪

বাগেরহাটে ঝড়ো বাতাসের সঙ্গে টানা বৃষ্টিপাত ও মোংলা বন্দরে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত জারির পর আতঙ্কে আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে শুরু করেছে সুন্দরবন সংলগ্ন উপকূলবাসী। জেলার সুন্দরবন সংলগ্ন শরণখোলা, মোড়েলগঞ্জ ও মোংলার বিভিন্ন গ্রাম থেকে লোকজন আশ্রয়কেন্দ্রের দিকে যাচ্ছেন।
 
এ দিকে, ঘূর্ণিঝড় বুলবুল মোকাবিলায় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ২৩৪টি আশ্রয়কেন্দ্রে পস্তুত রাখার পাশাপাশি শুকনো খাবার ও নিরাপদ পানির ব্যবস্থা করা হয়েছে। জেলায় ২৩৪টি আশ্রয়কেন্দ্রের মধ্যে সদর উপজেলায় সাতটি, কচুয়ায় আটটি, ফকিরহাটে পাঁচটি, মোল্লাহাটে ১০টি, চিতলমারী ২০টি, রামপালে ২৬টি, মোংলায় ৩৪টি, মোরেলগঞ্জে ৪২টি ও শরণখোলায় ৮২টি রয়েছে।
 
বাগেরহাটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) কামরুল ইসলাম জানান, ঘূর্ণিঝড় বুলবুল মোকাবিলায় জেলায় ২৩৪টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখার পাশাপাশি শুকনো খাবার ও পানির ব্যবস্থা করা হয়েছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও স্বেচ্ছাসেবীদের সহয়তায় সুন্দরবন সংলগ্ন এলাকাগুলো থেকে জনসাধারণের নিরাপদ আশ্রয়ে নিতে মাইকিং করা হচ্ছে।

অপরদিকে, ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ায় মোংলা সমুদ্র বন্দরকে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। সন্ধ্যায় ৭ নম্বর বিপদ সংকেত জারির পর জরুরি বৈঠক শেষে বন্দর কর্তৃপক্ষ নিজস্ব এলার্ট-০৪ জারি করেছে। এর ফলে বন্দরে অবস্থানরত সকল দেশি-বিদেশি বাণিজ্যিক জাহাজের পণ্য ওঠা-নামার কাজ সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। এছাড়া বন্ধ রয়েছে- বন্দরে জাহাজ আগমন-নিগর্মনও।

ঘূর্ণিঝড় মনিটরিংয়ের জন্য বন্দর কর্তৃপক্ষ, মোংলা পোর্ট পৌরসভা ও উপজেলা প্রশাসন পৃথক কন্ট্রোরুম খুলেছে। মোংলায় ৮৪টি আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। পৌর কর্তৃপক্ষ ও পুলিশ প্রশাসন শহর জুড়ে বিপদ সংকেতের বার্তা প্রচারের পাশাপাশি জনসাধারণকে নিকটতম আশ্রয় কেন্দ্রে যাওয়ার জন্য পরামর্শ দিচ্ছেন।

এবিএন/শংকর রায়/জসিম/পিংকি

এই বিভাগের আরো সংবাদ