খাজা ইউনুস আলী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ট্রেইনিং কোর্সে অংশগ্রহণ

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ১৭ নভেম্বর ২০১৯, ১৮:৫৪

খাজা ইউনুস আলী বিশ্ববিদ্যালয়ের বি.বি.এ. প্রোগ্রামের বিভিন্ন সেমিস্টারের শিক্ষার্থীদের নিয়ে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্টের (বি,আই,এম) আয়োজিত দিনব্যাপি ট্রেইনিং কোর্সে অংশগ্রহণ করেন। ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনিয়র লেকচারার মনোয়ার উদ্দিন তালুকদার ও শিক্ষক জাহিদুল ইসলামের তত্বাবধায়নে ইনটারপ্রিনিয়ডশিপ ডেভেলপমেন্ট ফর ইয়ং চ্যাম্পিয়ন শিরোনামে ৫ জন শিক্ষার্থী নিয়ে দিনব্যাপী এই ট্রেইনিং কোর্সে অংশ গ্রহণ করা হয়। কোর্স কো-অর্ডিনেটর জনাব মামুন মুজতবার সার্বিক তত্ত্বাবধানে এ ট্রেইনিং কোর্সটি বি.আই.এম. ক্যাম্পাসে গত বৃহস্প্রতিবার সকাল ৯ টায় শুরু হয় এবং বি.আই.এম এর ডিরেক্টর এ কোর্সের উদ্ভোধনী বক্তব্য রাখেন।

 তিনি বলেন, একটি দেশ উন্নতির শিখড়ে আড়োহন করে তখনই যখন ব্যবসায়-বাণিজ্যের প্রসার ঘটে। এজন্য যুব ও শিক্ষিত সমাজকে উদ্যোক্তা হওয়ার মানসিকতা তৈরি করতে হবে। অন্যের অধীনে পরাধীনতার শৃঙ্খলে আবদ্ধ না হয়ে নতুন নতুন ব্যবসা-বাণিজ্যের উদ্যোগ নিয়ে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে হবে। এতেই দেশ ও জাতির কল্যাণ নিহিত। এজন্য বি.আই.এম. ম্যনেজমেন্ট কাউন্সেলর মামুন মুজতবা দেশের বিভিন্ন প্রান্তরের নতুন উদ্যোক্তার সন্ধানে যুগোপযোগী এই ট্রেইনিং কোর্সটি আয়োজনের পদক্ষেপ নেন।

উদ্বোধনী বক্তব্যের পর কনসেপ্ট অফ ইনটারপ্রিনিয়ডশিপ ডেভেলপমেন্টের উপর ব্যক্তিগত দীর্ঘ অভিজ্ঞতা থেকে আলোচনা করেন কান্ট্রি ডিরেক্টর এস.আর (সোস্যাল রিসপনসেবিলিটি) এশিয়া, বাংলাদেশ, কোর্সের প্রথম ট্রেইনার সুমাইয়া রশিদ। বাংলাদেশের একজন স্বনামধন্য সফল উদ্যোক্তা আব্দুল মোমেন, সভাপতি চায়না বাংলাদেশ বিজনেস্ ক্লাব এবং ম্যানেজিং ডিরেক্টর (এম.ডি) চায়না বাংলাদেশ এক্সপোর্ট-ইমপোর্ট কোম্পানি লিঃ এন্ড লিটল চায়না বাংলাদেশ, সফল উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য কি কি করতে হবে সে বিষয়ে আলোকপাত করেন। তিঁনি বিকেলে এক্সপোর্ট-ইমপোর্ট ট্রেডিং এ্যান্ড সোস্যাল মিডিয়া মার্কেটিংয়ের উপর ট্রেইনিং প্রদান করেন উপস্থিত আগ্রহী ভবিষ্যৎ উদ্যোক্তাদের। সমাপনী বক্তব্য, সনদ বিতরণ ও ফটোসেশনে উপস্থিত ছিলেন, ডিরেক্টর জেনারেল (ডিজি) বি.আই.এম।

সমাপনী বক্তব্যে তিনি সবাইকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন বিশেষত খাজা ইউনুস আলী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চান্সেলর, রেজিস্ট্রার, বিভাগীয় প্রধান-ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগ এবং শিক্ষকদের যারা এমন একটি উদ্যোগ নিয়ে শিক্ষর্থীদের প্রশিক্ষণ নেয়ার সুযোগ করে দিয়েছেন। বর্তমান বাংলাদেশ “পপুলেশন ডিভিডেন্টের” সুবিধার মধ্যে প্রবেশ করেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।


এবিএন/এস.এম তফিজ উদ্দিন/জসিম/তোহা

এই বিভাগের আরো সংবাদ