দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে কানাডার অবদান রয়েছে : মাহবুবুল আলম

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ২৫ অক্টোবর ২০২১, ১৫:১২

দি চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি’র সভাপতি মাহবুবুল আলম বলেছেন, কানাডা বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় বাণিজ্যিক অংশীদারদের অন্যতম। এদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে কানাডার যথেষ্ট অবদান রয়েছে।

তিনি আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য আরো সাশ্রয়ী করার ক্ষেত্রে উভয়দেশের সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপনের উপর গুরুত্বারোপ করেন এবং এক্ষেত্রে কানাডা চেম্বার অব কমার্স এর সাথে একযোগে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন।  

তাছাড়া চট্টগ্রামে বাস্তবায়নাধীন অবকাঠামো উন্নয়নের মেগা প্রকল্প সম্পর্কে বিস্তারিত অবহিত করে আগামী দিনে কানাডিয়ান বিনিয়োগ বৃদ্ধির অনুরোধ জানান।

আজ রবিবার (২৪ অক্টোবর) বিকেলে বাংলাদেশে নিযুক্ত কানাডা হাই কমিশনের কাউন্সেলর (কমার্শিয়াল অ্যাফেয়ার্স) অ্যাঞ্জেলা ডার্ক ((Mrs. Angela Dark))'র সাথে মতবিনিময় কালে তিনি এ অনুরোধ জানান।

ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারস্থ চেম্বার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় চেম্বার সহ-সভাপতি সৈয়দ মোহাম্মদ তানভীর, হাই কমিশনের ট্রেড কমিশনার কামাল উদ্দিন ও চেম্বার সচিবালয়ের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।  

সভায় মিরসরাই ইকোনমিক জোনে প্রায় ১৫ বিলিয়ন ডলার বিদেশী বিনিয়োগ প্রক্রিয়াধীন আছে উল্লেখ করে চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলম আরো বলেন, ওয়ান স্টপ সার্ভিস, ট্যাক্স হলিডে-সহ অন্যান্য প্রণোদনা ও তরুণ জনশক্তিকে কাজে লাগিয়ে পণ্য উৎপাদন করে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে রপ্তানি করা সম্ভব হবে বলে মন্তব্য করেন।

চেম্বার সহ-সভাপতি সৈয়দ মোহাম্মদ তানভীর দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বৃদ্ধিতে সেক্টরভিত্তিক বাণিজ্য প্রতিনিধিদলের সফর বিনিময়ের উপর গুরুত্বারোপ করেন এবং ২০২২ সালে মাঝামাঝি সময়ে চিটাগাং চেম্বার থেকে একটি প্রতিনিধিদল প্রেরণের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

তিনি ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের পারমানেন্ট এক্সিবিশন হলে কানাডার উৎপাদিত পণ্য প্রদর্শনের আমন্ত্রণ জানান যাতে করে এ দেশীয় আমদানিকারকরা এসব পণ্য সম্পর্কে যথাযথ ধারণ লাভ করতে পারে।

এছাড়া উভয়দেশে পণ্যের বাজার সৃষ্টির জন্য প্রদর্শনী আয়োজনের প্রস্তাব করেন চেম্বার সহ-সভাপতি সৈয়দ মোহাম্মদ তানভীর।  

কাউন্সেলর অ্যাঞ্জেলা ডার্ক বলেন-বাংলাদেশের অর্থনীতি অত্যন্ত দ্রুতবর্ধনশীল। এশিয়ার বিভিন্ন দেশ থেকে কানাডিয়ান কোম্পানীগুলো বাংলাদেশে শিল্প স্থাপনে আগ্রহী। তাই এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপন অত্যন্ত জরুরী।

তিনি উভয়দেশের আমদানি-রপ্তানি বৃদ্ধিতে পণ্য বহুমূখী করণের উপর গুরুত্বারোপ করেন। এছাড়া বিদ্যমান সমস্যা চিহ্নিত করে আগামীতে অনুষ্ঠেয় জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের সভায় আলোচনার মাধ্যমে তা সমাধান করে সম্ভাবনার সদ্ব্যবহার করে উভয়দেশ উপকৃত হবে বলে মন্তব্য করেন।

ট্রেড কমিশনার কামাল উদ্দিন বলেন-বাংলাদেশ থেকে তৈরীপোশাকের পাশাপাশি প্রক্রিয়াজাত খাবার ও হিমায়িত খাদ্য রপ্তানি ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে।

দ্বিপাক্ষিক সহায়তার ভিত্তিতে নতুন নতুন পণ্য সংযোজনের মাধ্যমে বাণিজ্য আরো বৃদ্ধি পাবে বলে তিনি অভিমত ব্যক্ত করেন। মতবিনিময় শেষে কাউন্সেলর ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের পারমানেন্ট এক্সিবিশন হল পরিদর্শন করেন।

 এবিএন/রাজীব সেন প্রিন্স /জসিম/জেডি

এই বিভাগের আরো সংবাদ
ksrm