রবি মাহমুদের ‘মায়ায় ডুবেছি...

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ১৬ জানুয়ারি ২০১৯, ১৪:৫৮

রবি মাহমুদ। এক স্বপ্নবান তরুণ। কবিতা থেকে গান তারপর গায়ক। গীতিকার-সুরকার এবং গায়ক হিসেবে দেশের সঙ্গীতাঙ্গনে ধীরলয়ে পথ চলছেন রবি মাহমুদ। মনের নকশী', বৈশাখী পরী' ও মায়ায় ডুবেছি' গানের মাধ্যমে সঙ্গীতবোদ্ধাদের মনোষোগ আকর্ষণ করেছেন তিনি। সর্বশেষ মায়ায় ডুবেছি গানের মাধ্যমে কোনওরকম প্রচার প্রচারণা ছাড়াই স্বল্পসময়ের মধ্যেই ইউটিউবে লক্ষাধিক দর্শক শ্রোতার মনযোগ আকর্ষণ করেছেন। ভাসছেন অগনিত দশক-শ্রোতার ভালোবাসার বন্যায়।

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার বেথইর গ্রামে জন্ম রবি মাহমুদের। বর্তমানে ঢাকার অদূরে গাজীপুরের মাওনায় একটি বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে কর্মরত রবি ছোটবেলা থেকেই লেখালেখির সাথে সম্পৃক্ত। কাব্যগ্রন্থ প্রকাশের মাধ্যমে সাহিত্য ভুবনে আত্মপ্রকাশ তার। এরপর অনেকটা সময় সঙ্গীতাঙ্গনে বিচরণ করে অনেক তারকা শিল্পী, গীতিকার, সুরকারদের সঙ্গে ঘনিষ্ট সম্পর্ক গড়েছেন।

তাদের অনুপ্রেরণায় মনের নকশী' গানের মাধ্যমে একজন গীতিকার, সুরকার ও সঙ্গীতশিল্পী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন রবি মাহমুদ। সময়ের আলোচিত , জনপ্রিয় ও সফল মিউজিক কম্পোজার মুশফিক লিটুর সঙ্গে প্রথম কাজ করতে গিয়েই সখ্যতা গড়ে উঠে। এরপর থেকেই স্বপ্নপানে ক্রমশ: এগিয়ে চলা।

দেশের স্বনামধন্য অডিও প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান অগ্নিবীনা থেকে প্রকাশিত মায়ায় ডুবেছি গানটি রবি মাহমুদের আত্মবিশ্বাস আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। এ গানে রবির সঙ্গে সহশিল্পী হিসেবে আছেন হালের আলোচিত শিল্পী স্বরলিপি। এ সম্পর্কে রবি মাহমুদ বলেন, একটি ভালো গান করতে আমি সাধ্যমত চেষ্টা করেছি। এক্ষেত্রে আমার সহশিল্পী স্বরলিপি এবং মিউজিক কম্পোজার মুশফিক লিটু ভাইয়ের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। আর  অগনিত দর্শক-শ্রোতার ভালোবাসা আমাকে ভীষণভাবে অনুপ্রাণিত করেছে। আমি এ ভালোবাসাকে সঙ্গী করেই স্বপ্নের পথে এগিয়ে যেতে চাই।

এবিএন/জসিম

এই বিভাগের আরো সংবাদ
well-food