টিস্যু বা রুমালের ব্যবহার শেষ হলে পুড়িয়ে ফেলুন: শাকিব খান

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ১৯ মার্চ ২০২০, ১৮:২৮ | আপডেট : ১৯ মার্চ ২০২০, ১৮:৩১

মহামারী আকার ধারণ করা করোনা নিয়ে এবার সচেতনতার জন্য পরামর্শ দিলেন দেশসেরা চিত্রনায়ক শাকিব খান। বুধবার (১৮ মার্চ) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে করোনা সংক্রান্ত বিষয়ে স্ট্যাটাস দেন তিনি। 

 ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় চিত্রনায়ক শাকিব খান তার ভেরিফায়েড পেজে লিখেছেন— ‘কোভিড ১৯। যা করোনাভাইরাস নামে পরিচিত। বর্তমান বিশ্বে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ এ ভাইরাস প্রতিরোধ করা। নিয়মিত হাত ধুয়ে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থেকে এবং সম্ভাব্য আক্রান্ত ব্যক্তির সঙ্গে মেলামেশা না করে এ ভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি কমানো সম্ভব। যেকোনো ধরণের অনুষ্ঠান, জনসভা, জনসমাগম আছে এমন জায়গা এড়িয়ে চলতে হবে। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে ব্যক্তিগত সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই। করোনাভাইরাসের সংক্রমণের পর লক্ষণ প্রকাশে সর্বোচ্চ ১৪ দিন পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।’

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তির লক্ষণ উল্লেখ করে এ অভিনেতা লিখেন, ‘শুকনো কাশির সঙ্গে জ্বর। শ্বাসপ্রশ্বাসে সমস্যা। মাথাব্যথা, গলাব্যথা। মাংসপেশিতে ব্যথা থাকতে পারে। এ ক্ষেত্রে সংক্রমণ শুরু হয় জ্বর দিয়ে। এরপর শুকনো কাশি হতে পারে, যার এক সপ্তাহের মধ্যে শ্বাসপ্রশ্বাসে সমস্যা দেখা দিতে পারে। করোনা ভাইরাস আক্রান্ত, সন্দেহজনক ব্যক্তির সংস্পর্শে না আসাই সবচেয়ে ভালো প্রতিরোধ। নিজেকে নিরাপদ রাখতে সর্দি-কাশিতে আক্রান্ত যেকোনো ব্যক্তি থেকে নিরাপদ দূরত্বে থাকতে হবে।’

সবাইকে পরামর্শ দিয়ে শাকিব খান লিখেন, ‘আক্রান্ত ব্যক্তি ও পরিচর্যাকারীকে মুখে বিশেষ মাস্ক পরতে হবে। কখনোই নাক-মুখ না ঢেকে হাঁচি-কাশি দেবেন না। টিস্যু বা রুমালের ব্যবহার শেষ হলে পুড়িয়ে ফেলতে হবে। বন্যপ্রাণী বা গৃহপালিত পশুকে খালি হাতে স্পর্শ করা যাবে না। মাছ-মাংস ভালো করে সেদ্ধ করে নিতে হবে। বারবার সাবান পানি বা হ্যান্ড স্যানিটাইজার দিয়ে হাত পরিষ্কার করতে হবে। যেসব বস্তুতে অনেক মানুষের স্পর্শ লাগে যেমন: সিঁড়ির রেলিং, লিফট, দরজা, পানির কল, কম্পিউটারের মাউস বা ফোন, গাড়ির বা রিকশার হাতল ইত্যাদি ধরলে সঙ্গে সঙ্গে হাত পরিষ্কার করতে হবে। সবাই সচেতনতা অবলম্বন করুন। নিজে বাঁচুন, অন্যকে বাঁচার সুযোগ করে দিন। সৃষ্টিকর্তা সবাইকে ভালো রাখুন।’

প্রসঙ্গত, গত বছরের ডিসেম্বরে চীনের উহান শহর থেকে ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে করোনাভাইরাস। এখন পর্যন্ত দেশটিতে সবচেয়ে বেশি প্রায় আশি হাজার আক্রান্ত ও প্রায় তিন হাজার দুইশ’ মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এরপর সারাবিশ্বে করোনা মহামারী আকার ধারণ করে। এ পর্যন্ত বিশ্বব্যাপী করোনা আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ২ লাখ ২০ হাজার, মারা গেছেন প্রায় ৯ হাজার মানুষ।

এবিএন/মমিন/জসিম

এই বিভাগের আরো সংবাদ