বাবুল আক্তারের মামলায় নারাজি আবেদনের শুনানি ৩ নভেম্বর

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ২৭ অক্টোবর ২০২১, ১৪:২২

মাহমুদা খানম মিতু হত্যার ঘটনায় সাবেক পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারের করা মামলায় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) দেওয়া চূড়ান্ত প্রতিবেদনের ওপর নারাজি আবেদনের পরবর্তী শুনানি আগামী ৩ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে।  

আজ বুধবার (২৭ অক্টোবর) চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেহনাজ রহমানের আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দিয়েছেন। 

বিষয়টি নিশ্চিত করে বাবুলের আইনজীবী শেখ ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী বলেন, আমরা আজ বাবুল আক্তারের পক্ষে এই মামলাতেই নারাজি দিয়েছি। আদালত আমাদের বক্তব্য শুনেছেন এবং গ্রহণ করেছেন। আগামী ৩ নভেম্বর মামলার পরবর্তী আদেশ দেবেন।

তিনি বলেন, আমরা আরেকটি আবেদন করেছি। এর আগে তদন্ত কর্মকর্তারা মিতুর বাবা ও মায়ের সাক্ষাৎকার নিলেও নথিতে সেটি রেকর্ড করেননি। সেই বিষয়টি জানার জন্য একটি আবেদন করেছি। এছাড়া এই মামলাতে ৫৩ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেছেন। এই ৫৩ জনের মধ্যে দুজন ছাড়া কেউ বাবুল আক্তারের নাম বলেননি। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পাঁচ বছর পরে দুজন লোককে এনে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি নিয়ে বাবুল আক্তারকে সম্পৃক্ত করেছেন। এটি সম্পূর্ণ বেআইনি। 

তিনি আরও বলেন, পাঁচ বছর পরে কোনো সাক্ষীর সাক্ষ্য আইনগতভাবে খুব বেশি গ্রহণযোগ্য বলে আমার কাছে মনে হয় না। আদালতের কাছে এসব বিষয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি। আদালত সেই বিষয়টি গ্রহণ করেছেন। আমাদেরকে পরবর্তী আদেশের জন্য অপেক্ষা করতে হবে। আদেশ যেটাই হোক আমরা এগিয়ে যাব।

গত ১৪ অক্টোবর মাহমুদা খানম মিতু হত্যার ঘটনায় সাবেক পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারের করা মামলায় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) দেওয়া চূড়ান্ত প্রতিবেদনের ওপর নারাজি আবেদন করেছিলেন বাবুল আক্তার নিজে। চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেহনাজ রহমানের আদালতে আবেদনটি করেন বাবুলের আইনজীবী শেখ ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী। 

নারাজি আবেদনে বলা হয়েছিল বাবুল ষড়যন্ত্রের শিকার। তিনি এ মামলার বাদী ছিলেন। তাকে আসামি করতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেওয়া হয়।

২০১৬ সালের ৫ জুন সকালে চট্টগ্রাম নগরের নিজাম রোডে ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দিতে যাওয়ার পথে দুর্বৃত্তদের গুলি ও ছুরিকাঘাতে খুন হন মাহমুদা খানম (মিতু)। ওই সময় এ ঘটনা দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচিত হয়। ঘটনার সময় মিতুর স্বামী পুলিশ সুপার বাবুল আক্তার অবস্থান করছিলেন ঢাকায়। ঘটনার পর চট্টগ্রামে ফিরে বাবুল আক্তার পাঁচলাইশ থানায় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে একটি হত্যা মামলা করেন।

এবিএন/সাদিক/জসিম

এই বিভাগের আরো সংবাদ
ksrm