চিকিৎসা না পাওয়ার অভিযোগ নেই: হাইকোর্টকে স্বাস্থ্য অধিদফতর

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ০২ জুলাই ২০২০, ১৯:৩৩

চিকিৎসা না দিয়ে সাধারণ রোগী হাসপাতাল থেকে ফেরত পাঠানোর কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি বলে হাইকোর্টে প্রতিবেদন দাখিল করেছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। তবে ঐ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কোনো হাসপাতালে চিকিৎসা না দিয়ে রোগী ফেরত পাঠানোর অভিযোগ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। আদালতের নির্দেশনানুযায়ী, স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিচালক মো. আমিনুল হাসানের স্বাক্ষরে হাইকোর্টকে দেয়া এক প্রতিবেদনে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।

আজ বৃহস্পতিবার হাইকোর্টের বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের ভার্চুয়াল বেঞ্চে এ প্রতিবেদন দাখিল করা হয়।

রিটকারী আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইয়াদিয়া জামান জানান, স্বাস্থ্য অধিদফতরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশের সব হাসপাতালে রোগীদের চিকিৎসা হচ্ছে। কাউকে ফেরত দেয়া হচ্ছে না। কিন্তু আমরা বিভিন্ন পত্রপত্রিকা ও গণমাধ্যমে লক্ষ করছি, এমন ঘটনার খবর বহু প্রকাশ পাচ্ছে।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের প্রতিবেদনে বলা হয়, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় গত ১১ জুন দেশের সকল সরকারি বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারসমূহে কোভিড ও ননকোভিড রোগীর চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেয়। তাছাড়া অধিদফতরের হাসপাতাল শাখা থেকে ১৮ জুন দেশের সকল হাসপাতাল ক্লিনিকসমূহকে নির্ধারিত ফি’র (ইউজার ফি) বিনিময়ে (কোভিড-১৯) রোগীর চিকিৎসা অব্যাহত রাখার জন্য এবং ২৯ জুন সকল বেসরকারি হাসপাতালসমূহে সকল ধরনের রোগীদের (কোভিড/নকোভিড এরিয়া চিহ্নিত/বিভাজন পূর্বক) সকল ধরনের চিকিৎসা প্রদানের অনুমোদন প্রাপ্ত ওআরটি পিসিআরের সুবিধা সম্বলিত যে কোনো বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে নিদিষ্ট ফি’র বিনিময়ে চিকিৎসা প্রদানের নির্দেশ দেয়া হয়। 

এসব নির্দেশ পালনে অপারগতা প্রকাশকারী/ ব্যর্থ প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগ পেলে তাদের রেজিস্ট্রেশন স্থগিত/ বাতিলের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলে স্মারকে উল্লেখ করা হয়। তবে এখন পর্যন্ত এ ধরনের অভিযোগ পাওয়া যায়নি তাই কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। তবে এ ধরনের বিষয়ে কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ৫০ বা তার অধিক শয্যার বেসরকারি হাসপাতালে (যেমন-স্কয়ার, এভার কেয়ার, বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতাল ইত্যাদি) নির্দেশনা মেনে কোভিড-১৯ ও নন কোভিড রোগীদের পৃথকভাবে চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হচ্ছে।

শুনানিতে রিটকারীদের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার অনিক আর হক, অ্যাডভোকেট ইয়াদিয়া জামান, অ্যাডভোকেট এএম জামিউল হক ফয়সাল, ব্যারিস্টার একেএম এহসানুর রহমান ও মাহফুজুর রহমান মিলন।

এবিএন/মমিন/জসিম

এই বিভাগের আরো সংবাদ