জামালপুরের ডিসি’র ঘটনা তদন্তে কমিটি, শাস্তির আওতায় সেই নারীও

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ২৫ আগস্ট ২০১৯, ১৮:৪৩

জামালপুরের সাবেক ডিসি আহমেদ কবীরের ঘটনা তদন্তে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি করেছে সরকার। কমিটিকে আগামী ১০ কর্মদিবসের মধ্যে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। জনপ্রশান মন্ত্রণালয় থেকে রবিবার (২৫ আগস্ট) জারি করা এক আদেশে এ সব তথ্য জানা গেছে।

অনলাইনে ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে জামালপুরের জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আহমেদ কবীরের সঙ্গে যে নারীকে দেখা গেছে, তিনি সরকারি কর্মচারী হয়ে থাকলে তাকেও শাস্তির আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, তদন্ত কমিটিতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের যুগ্ম সচিব (জেলা ও মাঠ প্রশাসন অধিশাখা) মুশফিকুর রহমানকে প্রধান করা হয়েছে। কমিটির অপর সদস্যরা হলেন- জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের একজন প্রতিনিধি, ময়মনসিংহের বিভাগীয় কমিশনারের একজন প্রতিনিধি, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) একজন প্রতিনিধি।

তদন্ত কমিটির সদস্যরা কেউ উপসচিব পদমর্যাদার নিচে হতে পারবেন না। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মাঠ প্রশাসন শৃঙ্খলা অধিশাখার উপসচিব সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

আদেশে বলা হয়েছে, কমিটি প্রকাশিত ভিডিওটির সঠিকতা যাচাই করে প্রতিবেদন দাখিল করবে। এছাড়া কমিটি প্রয়োজনে সরেজমিনে পরিদর্শন করবে এবং ভিডিওটি যাচাইয়ের বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের মতামত নেবে। তদন্ত কমিটিকে তদন্ত প্রতিবেদনে সুস্পষ্ট মতামত দিতে হবে।

এদিকে, অনলাইনে ভাইরাল হওয়া ছড়ানো ভিডিওতে জামালপুরের জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আহমেদ কবীরের সঙ্গে যে নারীকে দেখা গেছে, তিনি সরকারি কর্মচারী হয়ে থাকলে তাকেও শাস্তির আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন।

আজ রোববার (২৫ আগস্ট) সচিবালয়ে নিজ দফতরে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী একথা জানান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, জামালপুরের ডিসির বিষয়টি অনেকের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। এটি অনৈতিক কর্মকাণ্ড। একজন ডিসি হিসেবে তার যে দায়দায়িত্ব আছে সেখান থেকে সরে গিয়ে যে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের কথা আমরা দেখেছি, এটি আমাদের কাছে লিখিত এসেছে এবং আমরা খুব ত্বরিত সিদ্ধান্ত নিয়েছি। প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে আমরা তাকে ওএসডি করেছি। 

‘এরপরে তার বিরুদ্ধে আমাদের যে আইনানুগ ব্যবস্থা আছে, চাকরিবিধি অনুযায়ী আমরা সেই পদক্ষেপ নেবো।’

ওই নারী শাস্তির মধ্যে আসছেন কি-না, প্রশ্নে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এখানে যারা আছে তারা সরকারে যদি চাকরি করে থাকে, সরকারি কর্মচারী হয়ে থাকে, তাদের উভয়ের বিচার হবে, উভয়ের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হবে।  

এবিএন/জনি/জসিম/জেডি

এই বিভাগের আরো সংবাদ