জনগণ টিআইবির রূপকথার গল্পের জবাব দেবে : কাদের

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ১৬ জানুয়ারি ২০১৯, ১৪:৫৬

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, দেশের জনগণ জাতীয় নির্বাচন নিয়ে টিআইবির অলীক ও অবিশ্বাস্য রূপকথার গল্পের জবাব দেবে। টিআইবি নির্বাচন নিরপেক্ষ হয়নি বলে অলীক, অবিশ্বাস্য রূপকথার কাহিনী সাজাচ্ছে। নির্বাচনে স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স ব্যবহার করা হয়েছে। বিএনপির কোন এজেন্ট বা টিআইবির একজন প্রতিনিধিও নির্বাচনের দিন স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সের বিরুদ্ধে কোন কথা বলেননি।

সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘নির্বাচনের দিন তারা নির্বাচনের কারচুপির কোনো কারণ খোঁজে পাননি। আর এখন তারা নির্বাচন নিয়ে কেন অলীক রূপকথার গল্প সাজাচ্ছেন তা আমরা জানি। দেশের জনগণই তার জবাব দেবে।’

আজ বুধবার দুপুরে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ের দলীয় কার্যালয়ে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার নেতৃত্বে নিরঙ্কুশ বিজয় উপলক্ষে আগামী ১৯ জানুয়ারি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের জনসভা সফল করার লক্ষ্যে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের উদ্যোগে আয়োজিত এক বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বেপরোয়া চালক হয়ে গেছেন। কখন যে তিনি কোন দুর্ঘটনা ঘটিয়ে ফেলেন, সে বিষয়ে সকলকে সচেতন থাকতে হবে।

তিনি বলেন, গত ১০ বছরে বিএনপির যে মহাসচিব ১০ মিনিটের জন্যও আন্দোলন করতে পারেননি, যার নেতৃত্বে জাতীয় নির্বাচনে বিএনপি দশটিরও কম আসন পায়, লজ্জা শরম থাকলে তিনি আরও আগেই পদত্যাগ করতেন।

কাদের বলেন, আন্দোলনে চরম ব্যর্থতা, নির্বাচনে শোচনীয় পরাজয়, লজ্জা শরম থাকলে আপনাকে আরও অনেক আগেই পদত্যাগ করা উচিত ছিল।

তিনি বলেন, তার (ফখরুল) নির্বাচনে জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত গণজাগরণ ভালো লাগছে না। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মত অভূতপূর্ব ফলাফল ’৭৫ পরবর্তী সময়ে কেউ কখনো দেখেনি। এ বিজয়কে যারা প্রত্যাখান করে জনগণের কাছে তাদের ক্ষমা চাওয়া উচিত।

সেতুমন্ত্রী কাদের আরও বলেন, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল তার দলের শোচনীয় পরাজয়ের জন্য পদত্যাগ না করে নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ আনেন। নির্বাচনে কারচুপি হলে তিনি (ফখরুল) কিভাবে জয়লাভ করলেন?

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাদের যুবলীগের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, আওয়ামী যুবলীগ একটি সুশৃঙ্খল সংগঠন। আগামী ১৯ জানুয়ারির আওয়ামী লীগের বিজয় সমাবেশকেও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করার জন্য তাদের অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে।

এ সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের জনগণ ও দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ দিক নির্দেশনা দেবেন বলেও জানান তিনি।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সভাপতি ইসমাঈল হোসেন চৌধুরী সম্রাটের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন আওয়ামী যুবলীগের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ওমর ফারুক চৌধুরী।

সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রেজার পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন আওয়ামী যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. হারুনুর রশিদ।

এবিএন/সাদিক/জসিম

এই বিভাগের আরো সংবাদ
well-food