খালেদাকে নির্জন কারাগারে রাখার জন্য সরকারের বিচার হবে: ফখরুল 

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ২১:৪৭ | আপডেট : ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ২১:৫১

আওয়ামী লীগকে ‘ফ্যাসিবাদী শক্তি’ অভিহিত করে একুশের চেতনার উদ্ধুব্ধ হয়ে তাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহবান জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বুধবার(২০ ফেব্রয়ারি) বিকেলে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বিএনপির উদ্যোগে 'মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস' উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তরা এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া কোর্টে আসতে পারেননি। তিনি অত্যন্ত অসুস্থ। দীর্ঘ একবছর ধরে তিনি কারাগারে রয়েছেন, তাঁর সুচিকিৎসা হচ্ছে না। তাকে একটা নির্জন কারাগারে রাখা হয়েছে সেটা মানবাধিকারের বিরুদ্ধে। আজকে স্পষ্ট করে বলতে চাই এই মানবাধিকার লঙ্ঘন করবার জন্যে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে নির্জন কারাগারে রাখার জন্য তাদের বিচার হবে।

এদিকে বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ‘আইনি প্রক্রিয়ায় সম্ভবপর নয়’ উল্লেখ করে আন্দোলনের মাধ্যমে তা হতে পারে বলে মন্তব্য করেন মওদুদ। 

তিনি বলেন, আন্দোলন ছাড়া আমাদের প্রিয় নেত্রীর মুক্তি সম্ভবপর নয়। সেজন্য এবার আমাদেরকে সুপরিকল্পিতভাবে কর্মসূচি নিতে হবে। যাতে করে এবার আমরা পরাাজিত না হই। এবার আমরা সত্যিকার অর্থে বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করে আমাদের মাঝে ফিরিয়ে আনতে পারি। তার মুক্তির মধ্য দিয়ে ইনশাল্লাহ দেশে গণতন্ত্র ফিরে আসবে।

দিবসটি উপলক্ষে আজিমপুরে শহীদদের কবর জিয়ারত ও কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুস্পমাল্য অর্পন, এই আলোচনা সভাসহ দুইদিনের কর্মসূচি ঘোষণা করে বিএনপি। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর পৃথক পৃথক বানী প্রদান করেছেন।

মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, এই যে ৩০ ডিসেম্বর তারা (আওয়ামী লীগ সরকার) যে নির্বাচন করেছে তার মধ্য দিয়ে প্রমাণ হয়েছে আওয়ামী লীগ কোনো গণতান্ত্রিক শক্তি নয়, তারা এখন ফ্যাসিবাদী শক্তি। এই ফ্যাসিবাদী শক্তিকে মোকাবিলা করবার জন্য আমাদেরকে অবশ্যই সংগঠনকে অত্যন্ত শক্তিশালী করতে হবে এবং সংগ্রামী করে তৈরি করতে হবে। এই লড়াইকে আমাদের আরো সামনের দিকে নিয়ে যেতে হবে, এই লড়াইয়ে আমাদেরকে আরো ঐক্যবদ্ধ হতে হবে, সংগঠনকে শক্তিশালী করে এগিয়ে যেতে হবে। একুশের চেতনাকে ধারন করে ত্যাগ স্বীকার করার মানসিকতা নিয়ে আমাদেরকে এগিয়ে যেতে হবে। 

৩০ ডিসেম্বরের ভোট ছাড়া নির্বাচনে সরকার গঠনের প্রসঙ্গ টেনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, আমরা বার বলেছি এবং আপনারা দেখেছেন, একটা বিশ্বজনমত তৈরি হচ্ছে এই স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে। এদের বিরুদ্ধে আমাদেরকে অবশ্যই রুখে দাঁড়াতে হবে। একথা কেনো ভাবছেন যে, আপনারা পরাজিত হয়েছেন ? একথা কেনো ভাবনা আপনাদের মধ্যে। আমাদের নিজেদেরকে সংগঠিত করে আমরা লড়াই করব, লড়াইকে সামনের দিকে নিয়ে যাবো এবং সেই লড়াইয়ে আমরা বিজয়ী হবোই, বাংলাদেশের মানুষ বিজয়ী হবেই।

নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে বিএনপি মহাসচিব বলেন, কখনোই মনের জোরকে হারিয়ে ফেলবেন না, মনের বলকে হারিয়ে ফেলবেন না। হাতশায় নিমজ্জিত হবেন না। অন্ধকার থেকে সূর্যের সেই প্রভাত- সূর্য়োদয় হবেই, সেই সূর্য়োদয়ের দিকে আপনাদের এগিয়ে যেতে হবে। 

দেশনেত্রী কারাগারে আছেন যিনি একবারের জন্যও তিনি আমাদেরকে মনোবল হারানোর কথা বলেন নাই। বার বার বলে যাচ্ছেন- তোমরা সংগ্রাম করো, জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করে সংগ্রাম করো। সেই সংগ্রামই আমরা করে চলছি। আমাদেরকে মনে রাখতে হবে যে, এই সংগ্রামে আমাদেরকে অনেক ত্যাগ স্বীকার করতে হবে। সেই ত্যাগ স্বীকারের জন্য আমাদেরকে প্রস্তুত হতে হবে। 

তিনি বলেন, আমরা পরিস্কারভাষায় বলতে চাই, অবিলম্বে বেগম খালেদা জিয়াকে নিঃশর্ত মুক্তি প্রদান করে তার চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে। হাজার হাজার আমাদের যে সমস্ত নেতা-কর্মীরা কারাগারে আছেন তাদেরকে মুক্তি দিতে হবে এবং সমস্ত মামলা প্রত্যাহার করতে হবে।

সেই লক্ষ্যে আমরা আন্দোলন গড়ে তুলি যে, এই নির্বাচনের ফলাফল বাতিল করে দিয়ে সম্পূর্ণ নতুন নির্বাচন অনুষ্ঠান করতে হবে। সেটা নতুন নির্বাচন কমিশন ও নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে করতে হবে। আসুন এটাই হোক আমাদের আগামীদিনের সংগ্রাম ও লড়াই। এই সংগ্রাম-লড়াইয়ে আমরা বিজয়ী হবো ইনশাল্লাহ। 

বেগম খালেদা জিয়ার অসুস্থতার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া গণতন্ত্রের মাতা যিনি গণতন্ত্রের জন্য দীর্ঘকাল সংগ্রাম করেছেন সেই মহান নেত্রী আজকে কারাগারে। আজকে ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ সাহেব গিয়েছিলেন কোর্টে। আমি জেল গেইটের কোর্টের সামনে থেকে ফিরে এসেছি। তিনি কোর্টে আসতে পারেননি, তিনি অসুস্থ, অত্যন্ত অসুস্থ। দীর্ঘ একবছর ধরে তিনি কারাগারে রয়েছেন, তার সুচিকিৎসার হচ্ছে না। তাকে একটা নির্জন কারাগারে রাখা হয়েছে সেটা মানবাধিকারের বিরুদ্ধে। আজকে স্পষ্ট করে বলতে চাই এই মানবাধিকার লঙ্ঘন করবার জন্যে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে নির্জন কারাগারে রাখার জন্য তাদের বিচার হবে।

এই সময়ে মিলনায়তনের পেছনের দিকে নেতা-কর্মীরা বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে কর্মসূচি দেয়ার শ্লোগান দিলে বিএনপি মহাসচিব বলেন, কর্মসূচি হবে ধৈর্য্য ধরেন। কর্মসূচি চাইলে কি হবে তা পালন করতে হবে তো। সব কিছু হবে, ধৈর্য্য ধরেন।

আপনাদের যে ক্ষোভ-ব্যথা সেটা আমরা বুঝি। কিন্তু একটা কথা আপনাদের সবসময় মনে রাখতে হবে যে, ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে যখন গণতান্ত্রিক শক্তি লড়াই করে অতো সহজে সফলতা অর্জন করা যায় না। আপনারা কেনো বার বার ভাবছেন যে, আপনারা ব্যর্থ হয়েছেন। আমরা কখনো ব্যর্থ হন নাই, পরাজিত হন নাই। অবশ্যই না। আজকে আপনারা বিজয়ী হয়েছেন। আপনারা আজকে আওয়ামী লীগকে জনগণের সামনে, বিশ্বের সামনে স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, এরা একটা ফ্যাসিবাদী শক্তি, গণতন্ত্রের কথা মুখেই বলে। এরা কোনোদিন গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে নাই, এরা বরাবর গণতন্ত্রকে হত্যা করেছে। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের পরে যখন এরা ক্ষমতায় এসেছিলো তারপরেও এরা ’৭৫ সালে একদলীয় শাসনব্যবস্থা বাকশাল প্রতিষ্ঠা করেছিলো। ভুলে গেলে চলবে না দীর্ঘ ১০/১২ বছর ধরে তারা একদলীয় শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করবার জন্যই একের পর এক নির্যাতন চালাচ্ছে, নিপীড়ন চালাচ্ছে, নেতা-কর্মীদের হত্যা করছে, নেতা-কর্মীদের ঘরে থাকতে দেয় না।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেন, একুশের চেতনা সম্পূর্ণভাবে ধূলিসাত করে দিয়েছে বর্তমান সরকার। ১৯৭৫ সালে আওয়ামী লীগ সরকার একদলীয় শাসন ব্যবস্থা কায়েম করেছিলো। এখনো তারা একদলীয়ভাবে রাষ্ট্র পরিচালনা করছেন। মুখে যতই বলেন তারা বিরোধী দলে বিশ্বাস করে না, বিরোধী দল থাকুক তারা চায় না। এবার যে নির্বাচন হয়েছে যেটা নির্বাচন হয় নাই। এটা হয়েছে দুর্বৃত্তায়ন। এই রাজনৈতিক দুবৃত্তায়নের চরম দৃষ্টান্ত এই সরকার প্রতিষ্ঠা করেছে। তারা বাইরে এবং প্রপাগান্ডা মেশিন এমনভাবে যে দেশে সুন্দর একটা নির্বাচন হয়েছে- কেউ তাদেরকে বিশ্বাস করে না। দেশের কোনো একজন মানুষ তাদের কথা বিশ্বাস করে না। তারা ভোট চুরি করে রাষ্ট্র পরিচালনা করার দায়িত্ব পালন করছেন সেটা দেশের মানুষ মানে না। 

এ থেকে উত্তরণের করণীয় তুলে ধরে তিনি বলেন, করণীয় কী? যে জনপ্রিয়তা, তাই যথেষ্ট নয়। আমাদের বিরাট ও বিশাল জনপ্রিয়তা। কিন্তু এই জনপ্রিয়তা যথেষ্ট নয়। এই নির্বাচনের মাধ্যমে এটা প্রমাণিত হয়েছে যে, সংগঠন ছাড়া জনপ্রিয়তা কখনোই কাজে লাগানো সম্ভবপর নয়। সেজন্য এই সংগঠনকে পূনর্গঠন করতে হবে, নতুন করে দলকে পূনর্গঠন করতে হবে। যারা তরুন-নবীন তাদেরকে সুযোগ করে দিতে হবে এবং সর্ব পর্যায়ে যারা ত্যাগ স্বীকার করেছেন, যারা মার খেয়েছেন, যারা হাসপাতালে গিয়েছেন, যারা জীবন দিয়েছেন, যারা গ্রেফতার হয়েছেন, যাদের বাড়ি-ঘর পুঁড়েছে, যারা জামিনের জন্য এখন পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টের বারান্দাগুলোতে হেঁটে বেঁড়ায় তাদের উপযুক্ত সন্মান দেখিয়ে তাদের মাধ্যমে সংগঠনকে শক্তিশালী করে গড়ে করতে হবে। তাহলেই সেই সংগঠন হবে ত্যাগী, শক্তিশালী সংগঠন এবং যেকোনো অবস্থার মোকাবিলা করার ক্ষমতা সেই সংগঠনের থাকবে।

বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ‘আইনি প্রক্রিয়ায় সম্ভবপর নয়’ উল্লেখ করে আন্দোলনের মাধ্যমে তা হতে পারে বলে মন্তব্য করেন মওদুদ। আন্দোলন ছাড়া আমাদের প্রিয় নেত্রীর মুক্তি সম্ভবপর নয়। সেজন্য এবার আমাদেরকে সুপরিকল্পিতভাবে কর্মসূচি নিতে হবে। যাতে করে এবার আমরা পরাাজিত না হই। এবার আমরা সত্যিকার অর্থে বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্তি করে আমাদের মাঝে ফিরিয়ে আনতে পারি। তার মুক্তির মধ্য দিয়ে ইনশাল্লাহ দেশে গণতন্ত্র ফিরে আসবে।

দলের আরেক স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. মঈন খান বলেন, একটি দেশের প্রাণ শক্তি হচ্ছে ছাত্ররা। আর বিএনপির প্রাণ শক্তি হচ্ছে ছাত্রদল। বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে সরকার দুষ্ট পরিকল্পনার মাধ্যমে আটকিয়ে রেখেছে। তাই বলবো, আপনারা 'ছাত্ররা' এগিয়ে আসুন-আমরা রাজপথের আন্দোলনের মাধ্যমে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করে দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করবো।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, এক বছর হলো, কিন্তু আমরা বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে পারি নাই। আমাদের অনেক সমর্থন ও অনেক নেতা আছে। এরপরও বেগম খালেদা জিয়া মুক্ত হচ্ছে না। বিএনপি এত বড় একটি রাজনৈতিক দল, সারাদেশে সংগঠন আছে, কর্মী-সমর্থক আছে তবু কেন আমাদের নেত্রীর মুক্তি হচ্ছে না? যাতে হয়, এমন একটি সিদ্ধান্ত নিয়ে সবাই মিলে এক সাথে ঐক্যবদ্ধভাবে রাস্তায় নামি ও আন্দোলন করতে পারি তাহলে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্তি করা অবশ্যই সম্ভব।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে এবং সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম আজাদ ও সহ-প্রচার সম্পাদক আমিরুল ইসলাম আলীমের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য রাখেন, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের যুগ্ম সম্পাদক হেলেন জেরিন খান, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক আবদুল কাদের ভুঁইয়া জুয়েল, ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আকরামুল হাসান।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম, ডা. সিরাজ উদ্দিন আহমেদ, বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক নুরী আরা সাফা, স্বনির্ভর বিষয়ক সম্পাদক শিরিন সুলতানা, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিমুজ্জামান সেলিম,হারুনুর রশীদ হারুন, সহ প্রচার সম্পাদক শামীমুর রহমান শামীম, সহ যুব বিষয়ক সম্পাদক মীর নেওয়াজ আলী, নির্বাহী কমিটির সদস্য জেড মুর্তজা তুলা, সালাহ উদ্দিন ভূইয়া শিশির, মোস্তফা খান সফরী, দেবাশীষ রায় মধু, কাজী রফিক, ফোরকানই আলম, বিএনপি নেতা নবী উল্লাহ নবী, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শফিউল বারী বাবু, সিনিয়র সহ সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান, সহসভাপতি গোলাম সারোয়ার, সাংগঠনিক সম্পাদক ইয়াসিন আলী, ছাত্রদলের সভাপতি রাজিব আহসান, স্বেচ্ছাসেবক দল ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি ফখরুল ইসলাম রবিন, সাধারণ সম্পাদক গাজী রেজওয়ানুল হোসেন রিয়াজ, সাংগঠনিক সম্পাদক সাইদুল ইসলাম সাইদুল, ঢাকা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দল দক্ষিণের সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ রফিক হাওলাদার, গাজীপুর জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ভিপি ইব্রাহিম, ছাত্রদলের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আব্দুল খালেক, ছাত্রদলের সহ সভাপতি আলমগীর হাসান সোহান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মেহবুব মাছুম শান্ত, কাজী মোখতার হোসেন, সাতিহ্য বিষয়ক সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম, তথ্য বিষয়ক সম্পাদক মামুন খান প্রমুখ।

এবিএন/মমিন/জসিম

এই বিভাগের আরো সংবাদ