সতর্কতার সঙ্গে করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় কাদেরের আহ্বান

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ০৭ এপ্রিল ২০২০, ২১:১৪ | আপডেট : ০৭ এপ্রিল ২০২০, ২১:১৯

ধৈর্য্য, সতর্কতা, দায়িত্বশীলতা, মানবিকতা ও দেশপ্রেমের সঙ্গে করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে দল ও সব সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীসহ জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। 

মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে ওবায়দুল কাদের আরও বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের জনস্বাস্থ্য তথা প্রতিটি নাগরিকের ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য ও জীবনের নিরাপত্তা রক্ষায় বদ্ধপরিকর। তিনি করোনা সংকট মোকাবিলায় নিরলসভাবে প্রস্তুতি নিয়ে চলেছেন। দেশবাসীর সম্মিলিত সচেতনতা, সতর্কতা ও স্বাস্থ্যবিধি পালনই পারে ভয়াবহ এই সংকট থেকে রক্ষা করতে। 

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যবিধি ও সতর্কতা মেনে দেশের জনগণের মধ্যে করোনাভাইরাস প্রতিরোধ সম্পর্কিত গণসচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে। ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে সঠিক তথ্য দিয়ে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য জনগণকে উদ্বুদ্ধ করার পাশাপাশি জনসমাগম হতে পারে এমন কর্মসূচি পরিহার করতে হবে। 

করোনা পরিস্থিতি নিয়ে সবধরনের গুজব ও বিভ্রান্তিকর অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সতর্ক থাকতে নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, একটি ষড়যন্ত্রকারী মহল দ্রুততম সময়ে করোনা ভাইরাস পরীক্ষার কিট আবিষ্কৃত হয়েছে বলে গুজব ছড়িয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত এ ধরনের কিটে প্রাপ্ত ফলাফল শতভাগ সঠিক না হওয়ায় ড্রাগ এডমিনিস্ট্রেশন ও টেকনিক্যাল টিম সেটা অনুমোদন দেয়নি। এ ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্যের বিরুদ্ধে নেতাকর্মীদের সতর্ক থাকতে হবে এবং জনগণকে সচেতন করতে হবে। 

একই সঙ্গে করোনা চিকিৎসা সেবা পাওয়া ও চিকিৎসা সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে চিকিৎসক-স্বাস্থ্যকর্মী ও চিকিৎসা সেবা প্রার্থীর মধ্যে সমন্বয়ের জন্য যথাসাধ্য সহযোগিতা করার জন্য নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সঠিক তথ্য প্রদানের মাধ্যমে মানুষের মনে সৃষ্ট আতঙ্ক দূর করা ও গণমাধ্যমে প্রচারিত সরকারি নির্দেশনা মেনে চলার জন্য জনগণকে উৎসাহিত করতে হবে।  

সেতুমন্ত্রী বলে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতির অভিভাবক হিসেবে করোনাভাইরাস পরিস্থিতি মোকাবিলায় ৩১ দফা নির্দেশনা দিয়েছেন। সারাদেশের আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা এগুলো মেনে চলবেন এবং জনগণকেও মেনে চলার জন্য উদ্বুদ্ধ করবেন। 

তিনি বলেন, ওএমএস পদ্ধতিতে ১০ টাকা কেজি দরে চাল ও আটা বিক্রি, ট্রাকে করে সুলভমূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি বিক্রি এবং সব উপজেলায় সুবিধাবঞ্চিতদের মধ্যে নগদ অর্থ সহায়তা ও শিশু খাদ্য প্রদান কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার ক্ষেত্রেও নেতাকর্মীদের স্থানীয় প্রশাসনকে সহযোগিতা করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী স্থানীয় পর্যায়ে গরীব-অসহায়-দুস্থদের তালিকা প্রণয়ন করে ঘরে ঘরে খাবার পৌঁছে দেওয়ার যে নির্দেশ দিয়েছেন, সেটি বাস্তবায়নেও ইউনিয়ন, ওয়ার্ড, গ্রাম ও শহর পর্যায়ে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের স্থানীয় প্রশাসনকে সার্বিক সহযোগিতা করতে হবে। 

এবিএন/জনি/জসিম/জেডি

এই বিভাগের আরো সংবাদ