আজকের শিরোনাম :

বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে স্কুলছাত্রীকে গণর্ধষণ, আটক ৪

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১১:২৭

ছবি: প্রতীকী
মুন্সিগঞ্জে ৮ম শ্রেণির এক ছাত্রীকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে পালাক্রমে গণধর্ষণের পর ভিডিও ধারণ করে ধর্ষক। এ ঘটনায় জড়িত চারজনকে আটক করেছে পুলিশ।


শুক্রবারের এ ঘটনায় মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া থানায় মামলা দায়েরের পর প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ওই চারজনকে আটক করেছে পুলিশ। এছাড়া শারীরিক পরীক্ষার জন্য ওই ছাত্রীকে শনিবার সকালে মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের গাইনী চিকিৎসকের কাছে পাঠানো হবে।

বৃহস্পতিবার রাতে মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ার গুয়াগাছিয়ার ৮ম শ্রেণির এক ছাত্রীকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করে এর ভিডিও ধারণ করা হয়। এমনকি ধর্ষণের পর গুরুতর আহত অবস্থায় ওই ছাত্রীকে হাসপাতালে নেয়ার পথে বাধা দেয় ধর্ষক ও তার সহযোগীরা। এ সময় হামলায় আহত হয় ওই ছাত্রীর মা, বড় বোন ও দুলাভাই। পরে বাধ্য হয়ে ৯৯৯ এ ফোন দিলে পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের উদ্ধার করে। 

ওই ছাত্রী জানান, বৃহস্পতিবার রাতে তার বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে ফোনে কথা বলার সময় স্থানীয় লিটন মিয়ার ছেলে আকাশ ও পারভেজ হোসেনের ছেলে সালাউদ্দিন তার মুখ চেপে ধরে বাড়ির উঠান থেকে তুলে নিয়ে পার্শ্ববর্তী সিদ্দিকুর রহমানের পরিত্যক্ত বাড়িতে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে এবং ভিডিওচিত্র ধারণ করে। পাশে বিয়ে বাড়িতে উচ্চস্বরে সাউন্ড বাঁজিয়ে একের পর এক ধর্ষণ করে তারা।
 
এ সময় সে চিৎকার করলেও উচ্চস্বরে সাউন্ডের কারণে সেই চিৎকারের শব্দ শুনতে পায়নি কেউ। এই কিশোরী এক পর্যায়ে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। পরে ধর্ষণ শেষে তাকে বাড়িতে ফেলে রাখে ধর্ষকরা। 

পারিবারিক সূত্র জানায়, এ ঘটনায় গুরুতর আহত অবস্থায় ধর্ষণের শিকার ওই স্কুলছাত্রীকে হাসপাতালে নেওয়ার পথে বাধা দেয় ধর্ষক আকাশ ও সালাউদ্দিনসহ তাদের স্বজনরা। এ সময় তাদের মারধরের শিকার হন ওই ছাত্রীর মা, বড় বোন ও দুলাভাই।

ওই ছাত্রীর মা ও মামলার বাদী জানান, গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নেয়ার পর ধর্ষক ও তাদের স্বজনরা তাদের ওপর হামলা চালায়। পরর্বতীতে তার বড় মেয়ে ৯৯৯ এ ফোন দিলে গজারিয়া থানা পুলিশের একটি দল তাদের উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

গজারিয়া থানার এসআই মো. মাঈন উদ্দিন জানান, ফোন পেয়ে তারা তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে ছুটে যান। তারা প্রাথমিকভাবে ঘটনার সত্যতা পেয়েছেন।

এদিকে এ ঘটনায় শুক্রবার ধর্ষণের শিকার ওই স্কুলছাত্রীর মা দুই জনের নাম উল্লেখ করে গজারিয়া থানায় মামলা দায়ের করেছেন।

গজারিয়া থানার ওসি রইছ উদ্দিন জানান, সঙ্ঘবদ্ধ একটি ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে এবং এ ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। বিষয়টি অত্যন্ত স্পর্শকাতর। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ধর্ষকদের স্বজনদেরও আটক করে থানায় নেয়া হয়েছে। অভিযুক্তদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

 

এবিএন/ইমরান/জসিম/এসই

এই বিভাগের আরো সংবাদ