আজকের শিরোনাম :

কালীগঞ্জে মামলার সাক্ষীর লাশ মিললো খালের ধারে

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ২৪ জানুয়ারি ২০২২, ১৫:০৮

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে পীর আলী (৩৩) নামের এক ওয়ার্ড যুবলীগের নেতার গলায় রশি প্যাঁচানো মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার সকাল ৭টার দিকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পীর আলী উপজেলা কাষ্টভাঙ্গা ইউনিয়নের নলভাঙ্গা গ্রামের সামছুল হকের ছেলে। এছাড়া তিনি কাষ্টভাঙা ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের সদস্য প্রার্থী এবং ওই ওয়ার্ডের যুবলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। স্থানীয় একটি বাঁওড়ের নাইট গার্ডও ছিলেন তিনি।

স্থানীয়রা জানান, রোববার রাত ৮টার দিকে বাড়ি থেকে বের হন পির আলী। এরপর আর ফিরে আসেননি। সোমবার সকালে পথচারীরা বাড়ির পার্শ্ববর্তি নলভাঙ্গা খালের ধারে মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেয়।

তারা আরো জানান, ২০১৬ সালের নলভাঙ্গা গ্রামে মেয়েকে উত্যক্তের প্রতিবাদ করায় শাহিনুর রহমানের পা কেটে ফেলে স্থানীয় সন্ত্রাসীরা। এরপর বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর আদালত  স্ব-প্রণোদিত হয়ে মামলা করা হয়। সেই মামলায় হাইকোর্ট থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে আসামিদের আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেওয়া হয়। এর প্রেক্ষিতে তারা আত্মসমর্পণ করেন। সেসময় থেকে পরবর্তী ৬ মাস শাহিনুরের বাড়িতে পুলিশি নিরাপত্তা ছিল। ওই মামলার ১নং সাক্ষী ছিলেন নিহত পীর আলী।
আসামিরা জেল থেকে বেরিয়ে এসে পীর আলীকে নানাভাবে হুমকি ধামকি দিতে থাকেন। এর কারণে বেশ কয়েক সপ্তাহ আগে পীর আলী নিজের জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে কালীগঞ্জ থানায় একটি সাধারণ ডায়রিও করেছিলেন।  এলাকাবাসীর ধারণা ওই ঘটনার জেরে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হতে পারে।

কালীগঞ্জ বারোবাজার পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ মকলেচুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, মৃতদেহটি একটি গাছের নিচে পড়ে ছিল। তার গলায় রশি প্যাঁচানো এবং একটি ডালের সঙ্গেও রশি জড়ানো ছিল। তবে গায়ে তেমন কোনো আঘাতের চিহ্ন নেই। তাই এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা তা নিশ্চিতে  ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি ঝিনাইদহ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

কালীগঞ্জ থানার অফিসার-ইন-চার্জ ( চলতি দায়িত্ব) মতলেবুর রহমান জানান, ঘটনার খবর পেয়ে আমরা সেখানে গিয়েছিলাম। তবে এটি হত্যা না আত্মহত্যা তা ময়নাতদন্তের পর জানাযাবে।

 

এবিএন/নয়ন খন্দকার/জসিম/তোহা

এই বিভাগের আরো সংবাদ