আমার স্বপ্ন ছিল কীভাবে হাওরের উন্নয়ন করা যায় : রাষ্ট্রপতি

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ২৯ মার্চ ২০২২, ০৯:৫২

হাওর পাড়ে বসে আছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। ছবি : সংগৃহিত
রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, আমার স্বপ্ন ছিল কীভাবে হাওরের উন্নয়ন করা যায়। যারা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন তারা যদি সঠিকভাবে কর্ম পরিচালনা করেন তাহলে এলাকার উন্নয়ন হবে। 

তিনি বলেন, ১৯৫৯ সালে আমি নবম শ্রেণিতে পড়ি। ১৯৬১ সালে কলেজে ভর্তি হয়ে আইয়ুববিরোধী আন্দোলন করি। পাকিস্তানি সরকার আমাকে ধরার জন্য মিঠামইনে আইসিও কেন্দ্র করে। ১৯৬৬ সালে গুরুদয়াল কলেজে জিএস নির্বাচিত হই। আমি যদি নিজের চিন্তা করতাম তাহলে অনেক বড় শিল্পপতি হতাম। ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে নির্মমভাবে হত্যার পর দুই বছর দুই মাস আমাকে জেলে থাকতে হয়েছে।

গত রোববার (২৭ মার্চ) রাতে কিশোরগঞ্জের মিঠামইন অডিটোরিয়ামে বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের সদস্য ও স্থানীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন।

মিটামইনে হাওর পরিদর্শনে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। ছবি : সংগৃহিত

রাষ্ট্রপতি জাতির উদ্দেশে বলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান ও থানার ওসির কোনো দরবার করা ঠিক নয়, আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে। আচার-বিচারের নামে অবিচার করবেন না। শান্তিতে থাকতে গেলে মিলেমিশে থাকবেন। এলাকা থেকে মাদক নির্মূল করতে হবে। বাল্যবিয়ে রোধ করতে হবে।

হাওরের উন্নয়নের ব্যাপারে তিনি বলেন, মরিচখালী থেকে ফ্লাইওভার করা হবে। মিঠামইন ক্যান্টনমেন্টের সঙ্গে সংযোগ রাস্তা করার পরিকল্পনা আছে। অন্যসব দাবি-দাওয়া পর্যায়ক্রমে পূরণ করা হবে।

মতবিনিময় সভায় রেজুওয়ান আহমেদ তৌফিক এমপি, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অধ্যক্ষ আবদুল হক নুরু, উপজেলা চেয়ারম্যান আছিয়া আলম, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সমির কুমার বৈষ্ণব, সাবেক সভাপতি রইছ উদ্দিন আহমেদ, বৈরাটি ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ সভাপতি ডা. ইদ্রিস, কাটখাল ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি মোজাম্মেল হক, কেওয়ারজোর ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বিল্লাল হোসেন, ঘাঘড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মুখলেছুর রহমান ভূঁইয়াসহ মিঠামইনের সাতটি ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যানরা উপস্থিত ছিলেন।

এবিএন/জনি/জসিম/জেডি

এই বিভাগের আরো সংবাদ