পাকুন্দিয়ায় মাদকে বাধা দেয়ায় অগ্নিসংযোগ ও কলাগাছ কর্তন

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ২৯ আগস্ট ২০২২, ১৩:০২

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে আবদুল আউয়াল নামের এক ব্যক্তির কলাগাছ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে মাদকসেবী ও কারবারিদের বিরুদ্ধে। 

এছাড়াও একই গ্রামের আবদুল কাইয়ূম নামের অপর এক ব্যক্তির খড়ের গাদায় আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছে তারা। 

গত শনিবার (২৭ আগস্ট) দিবাগত গভীর রাতে উপজেলার নারান্দী ইউনিয়নের মধ্য নারান্দী গ্রামে এ দুটি ঘটনা ঘটে। 

এ বিষয়ে রবিবার (২৮ আগস্ট) দুপুরে ৬ জনের নাম উল্লেখ করে পাকুন্দিয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন মধ্য নারান্দী গ্রামের ভুক্তভোগী আবদুল আউয়াল। থানায় অভিযোগ দায়ের পর এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে একই দিন বিকেলে ৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পাকুন্দিয়া থানা পুলিশ। 

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন উপজেলার মধ্য নারান্দী গ্রামের জসিম উদ্দিনের ছেলে সেলিম (৩৮), আবদুল মান্নানের ছেলে রাজা (২৬), বোরহান উদ্দিনের ছেলে জীবন মিয়া (২৫), সুরুজ আলীর ছেলে আবদুল আউয়াল (২২) ও শরীফ মিয়ার ছেলে রিয়াদ মিয়া (২০)। 

থানায় অভিযোগ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, উপজেলার মধ্য নারান্দী গ্রামের জসিম উদ্দিনের ছেলে সেলিম, মান্নানের ছেলে রাজা ও রানা, আবুল হোসেনের ছেলে আনার, আবদুল আউয়ালের ছেলে শ্রাবন ও মাছুম মিয়ার ছেলে রাজু দীর্ঘদিন ধরে মাদক সেবন ও ব্যবসা করে আসছিল। এলাকার আবদুল আউয়াল ও আবদুল কাইয়ূম মাদক সেবন ও ব্যবসায় বাধা দেয়। 

এতে ক্ষিপ্ত হয়ে সেলিমের নেতৃত্বে রাজা, রানা, আনার, শ্রাবন ও রাজুসহ ১০/১২ জন মাদক কারবারি শনিবার দিবাগত রাতের কোন এক সময় আবদুল আউয়ালের ৪০/৫০টি গলাগাছ কেটে ফেলে। এছাড়া একই সময় আবদুল কাইয়ূমের একটি খড়ের গাদায় আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়। 

এ ব্যাপারে পাকুন্দিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সারোয়ার জাহান লিখিত অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত ৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। 

এবিএন/শরীফ আহম্মেদ/জসিম/গালিব

এই বিভাগের আরো সংবাদ