মূল্যস্ফীতির পাগলা ঘোড়ায় ধুঁকছে দেশ

  অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ১৭ আগস্ট ২০২২, ০০:৩৬

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পর বিশ্ব অর্থনীতিতে নতুন আতংকের নাম মূল্যস্ফীতি। যা দাপিয়ে বেড়াচ্ছে বিশ্বজুড়ে। এর ভয়াবহ আঁচ লেগেছে বৃহৎ অর্থনীতির দেশগুলোতেও। যা থেকে রেহাই পাচ্ছে না ইউরোপ, আমেরিকা। এতে পিছিয়ে নেই বাংলাদেশও। গত কয়েক মাসের সমীকরণ বলছে, সময়ের সঙ্গে বেড়েছে দ্রব্যমূল্য। যার স্পষ্ট প্রভাব ক্ষুদ্র, মাঝারি ও বড় ব্যবসায়। তবে সবচেয়ে বেকায়দায় ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প।

ট্রেডিং ইকোনোমিকসের তথ্য মতে, দেশের বর্তমান মূল্যস্ফীতি সাড়ে সাত শতাংশের কাছাকাছি। যেটা বছরের শুরুতে ছিল প্রায় সাড়ে পাঁচ।

দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি শুধু ভোক্তাদেরই ভোগাচ্ছে তেমন নয়, উভয় সংকটে ব্যবসায়ীরাও। ব্র্যান্ড শপ, ফুটপাতের দোকান বা রেস্টুরেন্ট সবখানেই খরচ বৃদ্ধির বিপরীতে দৈনিক বিক্রি কমেছে ১০ থেকে ৪০ শতাংশ। লাভের চিন্তা বাদ দিয়ে ছক আঁকছেন পুঁজি তুলে নেয়ার।

এদিকে সহসাই যে অবস্থার উন্নতি হচ্ছে না তা অনেকটাই অনুমেয়। বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সভাপতি হেলাল উদ্দিন জানান, আমরা চলব কিভাবে।আমাদের কর্মচারি আছে, দোকান ভাড়া আছে, বিদ্যুৎ বিল আছে, দিনশেষে আমার সবাই এখান থেকে উপকারভোগী।

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা ছাড়া সহসাই এ থেকে মুক্তি মিলছে না। প্রণোদনা ও রাজস্ব সহায়তা দিলে সংকট কমতে পারে বলে মনে করেন অর্থনীতিবিদরা। পরামর্শ দিলেন সামাজিক নিরাপত্তার আওতা সম্প্রসারণেরও।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগে অধ্যাপক রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীরের মতে, শুধু ঋণ ব্যবস্থা নয়, উদ্যোগগুলোকে সহায়তা দেয়া উচিত। যারা কর্মসংস্থান তৈরি করবে অথবা কর্মসংস্থান ধরে রাখবে, তাদের জন্য বিশেষ রাজস্ব সহযোগিতা দরকার।

এদিকে মূল্যস্ফীতির লাগাম টানতে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনারও পরামর্শ বিশ্লেষকদের।

এবিএন/শংকর রায়/জসিম/পিংকি

এই বিভাগের আরো সংবাদ